তেইশ ঘণ্টা ষাট মিনিট - অনীশ দেব Teish Ghonta Shaat Minute by Anish Deb

তেইশ ঘণ্টা ষাট মিনিট - অনীশ দেব Teish Ghonta Shaat Minute by Anish Deb

তেইশ ঘণ্টা ষাট মিনিট 
লেখক: অনিস দেব 

তেইশ ঘণ্টা ষাট মিনিট এই বইটি ৫০৯ পাতার একংটা আস্ত একটি উপন্যাস। লেখকের  এই বইটি পরবো বলে অনেকদিন ধরে আমার উইসলিষ্টে তোলা ছিল। আমি এই প্রথম লেখকের লেখা পড়তে যাচ্ছিলাম, আর সঙ্গে এই প্রথম এতবড় একটা উপন্যাস হাতে তুলে নিয়েছিলাম, তাই এটাকে ধৈর্য্য ধরে শেষ করা টা একটা চ্যালেঞ্জ হবে ভেবেছিলাম, কিন্তু যখন শুরু করলাম সেটা কখন যে শেষ হওয়া গেলো বুঝতে পারলাম না। অবশ্যই এর পিছনে রয়েছে লেখকের  কৃতিত্ব, অসাধারণ লেখার ধরণ, যা কখনোই পাঠক/পাঠিকা কে একঘেয়ে লাগতে দেয়না।
এবার আসা যাক গল্পতে যেখানে ওল্ডসিটি আর নিউসিটি বলে দুইটি শহরকে দেখা যাচ্ছে। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে দুটি শহরে বড়লোক আর গরীব লোকের বসবাস। তবে এখানে বলে রাখি ওল্ডসিটি আসলে হলো আমাদের সকলের পছন্দের ভালোবাসার শহর কলকাতা, তবে এটা এখনকার মতো নেই গল্পে। ওল্ডসিটি থাকে উঠে আসছে গল্পের নায়ক জিসান, যার মধ্যে রয়েছে অদম্য জীবনে শক্তি, শেষ অব্দি লড়াই করবার জেদ, তুখোড় বুদ্ধি,প্রত্যুৎপন্নমতিতও। যার চোখে অনেক স্বপ্ন বড় হওয়ার আর তার সাথে তার স্ত্রী  আর ছোট ছেলে মিনি আর শানু। তার বিপরীতে রয়েছে খলনায়ক শ্রীধর পাত্তা, সেও কম না যায়না সবদিক থেকে নায়কের তুলনায়। 
নায়ক লেখকের কলমের টানে পৌঁছে যাবে শ্রীধর পাত্তা তৈরি কিল গেমে।  এবং সেখান আস্তে আস্তে জিসান  একজন সাধারণ ছেলে থেকে সবার প্রিয় নায়ক জিশানে পরিণত  হবে। আর তাতে সাহায্য করবে অনেক মানুষ, যাদের নিয়ে কম বেশি লেখা হলেও তাদের অবদান কোথাও কম মনে হবে না।  লেখকের লেখা পড়তে পড়তে কখন নিজেকে জিসান মনে হবে আবার কখনও মনে হবে একদম জিসানের পাশে এসে দাড়িয়েছি মনে হবে তাকে সাহায্য করতে পারলে ভালো হতো। 
 এত সুন্দর অনুভূতি জন্য লেখকের অসাধারণ সৃষ্টিকে কুর্নিশ জানায়। কাল রাত গল্পটি শেষ করে এক রাশ বুকভরটি ভালোলাগা নিয়ে ঘুমানো গেছে। এই রকম অনুভুতি পেতে গেলে অবশ্যই গল্পটি পড়তে বলবো সবাইকে। 
এবার নতুন করে রেটিং দিয়ে ওনার লেখাকে ছোট করবার মত ধৃষ্টতা আমার নেই। অসংখ্য ধন্যবাদ লেখক কে।  
ধন্যবাদ 🙏

রিভিউটি লিখেছেনঃ Soham Sengupta

Post a Comment

0 Comments