গ্যাসলাইট মুভি ১৯৪৪ Gaslight 1944 Movie

গ্যাসলাইট মুভি ১৯৪৪ Gaslight 1944 Movie

মুভিঃ Gaslight 1944 
পরিচালকঃ George Cukor


অতিরিক্ত ভয় মানুষকে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে।তার ক্ষমতা এতটাই যে সামনে ঘটা কোনো অন্যায় কে সে ভুলিয়ে দিতে পারে।
এরকমই এক উদাহরণ হল  Gaslight 1944.
এটি   একই নামের একটা সিনেমার রিমেক যা রিলিজ হয় ১৯৪০ এ।
মূলত প্যাট্রিক হ্যামিলটনের Gaslight উপন্যাস এই গল্পের প্লট।
শুরু হয় বিখ্যাত অপেরা গায়িকা এলিসের খুনের মাধ্যমে,খুনের কারণ তার দামী গয়না। তার ১৩ বছরের ভাইঝির উপর যাতে কোনোরকম নৃশংসতার আঁচ না আসে তাই তাকে ইটালি তে পাঠিয়ে দেওয়া হয় অপেরার তালিম।নেবার জন্য।কিন্তু পাউলার মনে সেই নৃশংস দৃশ্যের কালো দাগ লেগে থাকে।
বড়ো হবার পরে সে গ্রেগরি নামক এক গায়কের প্রেমে পড়ে এবং গ্রেগরি তাকে প্রস্তাব দেয় তাকে অন্য জায়গায় গিয়ে থাকবে,কিন্তু গ্রেগরি তাকে নিয়ে তাকে যায় নিয়ে লন্ডনেরর থ্রটন্ স্কোয়ারের সেই বাড়িতে যেখানে এলিস খুন হয়েছিলেন।সেই স্মৃতি তাকে ধীরেধীরে গ্রাস করতে থাকে।প্রথম দিন যেতেই সে পিয়ানোর উপর রাখা এক চিঠি পড়তে শুরু করে যেটা এলিস লিখেছিল সের্জিস বলে জনৈক ব্যক্তি কে। নাম টা পড়া মাত্রই গ্রেগরি চমকে ওঠে।তার হাত থেকে একপ্রকার ছিনিয়েই নেই চিঠিটা।ঘটনার আকস্মিকতায় পাউলা চমকে ওঠে কিন্তু গ্রেগরি তাকে সামলে নিয়ে বলে যে সে তার ভালোর জন্যই চিঠিটা নিয়ে নেয়।
ভালো থাকলেও ছোটোবেলার আতঙ্কে সে ভীত হয়ে থাকত।পাউলার এই আতঙ্কের কথা শুনে সে এলিসের স্মৃতিবিজড়িত সব জিনিস স্টোররুমে রেখে আসে তার দেখভাল করার জন্য ন্যান্সি নামক আয়া কে।কিন্তু ন্যান্সির অদ্ভূত চাহনি  তে সে বিরক্ত হয়, ভয় পায়।
ন্যান্সি চলে যাবার পর বেশিরভাগ সময়টাই সে একা থাকত।কিছুদিন পর বাড়িতে শুরু ভৌতিক কান্ডকারখানা। হঠাৎ করে সিঁড়িতে দৌড়ানোর শব্দ,মাঝরাতে চিৎকারের শব্দ।প্রথম প্রথম গ্রেগরি আমল দিলেও পরে সে বিরক্ত হতে থাকে।সমাধান তো হয়ই না বরং ঘটনার তীব্রতা আরও বাড়তে থাকে।ঘটনা গুলো এতটাই অবিশ্বাস্য যে পাউলার নিজের উপরেই ভরসা হারিয়ে যেতে থাকে।
পরবর্তী কালে কি হয় সেটা জানতে হলে দেখে নিন সিনেমাটা।
সাধারণ গল্প,খুবই প্রেডিক্টেবল্ প্লট আর সুন্দর অভিনয়ের ব্লেন্ড এটি।

রিভিউটি লিখেছেনঃ I don’t have a name

Post a Comment

0 Comments