ত্রিকালচক্ষু by সুদীপ চট্টোপাধ্যায়

ত্রিকালচক্ষু by সুদীপ চট্টোপাধ্যায়

ত্রিকালচক্ষু 
লেখক: সুদীপ চট্টোপাধ্যায় 


প্রথমে লেখক ধন্যবাদ দেবো এতসুন্দর গল্পটি আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য।
এবার আসি গল্পটি সম্বন্ধে কিছু  তথ্য নিয়ে। গল্পের বইটি সম্পর্কে বলতে গেলে বলা যায় এটি সম্পূর্ণ  একটি অ্যাডেঞ্চারধর্মী উপন্যাস। লেখক গল্পটিতে  ভারত বর্ষের ব্রিটিশ আক্রমণের সময় কাল থেকে অধুনিক সময়ের করোনার লকডাউন পরবর্তী সময়কাল অব্দি, একটা বিশাল সময়কাল তুলে ধরেছেন। আর এই সময়কালে মধ্যে কোথাও বর্ণনা করেছেন পরাধীন গরীব ভারতীয়দের উপরে ব্রিটিশদের অত্যাচার, তৎকালীন ভারতীয় ব্যাবসা বাণিজ্য, অর্থনৈতিক অবস্থা, আফ্রিকা মহাদেশে গভীর অরণ্যে রেললাইন পাতার দুঃসাহসিক ঘটনা, নেতাজি আর আজাদ হিন্দ ফৌজের ভারতের স্বাধীনতা অবদান, আবার কোথাও তুলে ধরেছেন এই অধুনিক সময়ে গভীর বন জঙ্গলে এক্সপিদিশনরত একদল মানুষের কাজ নিয়ে, যার মধ্যে কেউ বিজ্ঞানী, কেউ ইতিহাসবিদ , কেউবা আবার উল্কা, ধূমকেতু বিশারদ। তবে এত বড় সময়কাল কখনও আপনাকে এক ঘেঁয়মি লাগতে দেবে না।
এত কিছু ঘটনার মধ্যে দেখা যাবে গল্পে বিশেষ চরিত্র আর তার সাথের লোকেরা যখন বিপদে পড়েছে তখনই দেখা গেছে এক বিশেষ শক্তি আদের সাহায্য করেছে বার বার, বিপদ থেকে অলৌককভাবে উদ্ধার করেছে, তাদেরকে সাধারণ থাকে আসাধরণ করে তুলেছে ।এই বিশেষ শক্তি জায়গা সময় ভেদে নাম পরিবর্তন করে দেখা গেছে জিচোলা তাতু, সানজাও ইয়ান, ত্রিকালচক্ষু এই সব বিভিন্ন নামে।
এই বিশেষ শক্তি কিভাবে এদের সাহায্য করে , গল্পের নায়কদের কেই কোনো সাহায্য করলো এইসব জানতে  হলে উপন্যাসটি পড়ে ফেলতে বলবো পাঠক/পাঠিকা দের। আর বেশিও বলা যেত কিত্নু তাতে স্পয়লার দেওয়া হয় যেত, তাই আর বেশি বলাম না। 
আমার রেটিং 4.5 আউট অফ 5। ০.৫ কাটা গেল কারণ কোথাও কোথাও আনরিয়ালইস্টিক মনে হয়েছে তাই। উপন্যাসটি খুবই ভালো, কোথাও বোরিং লাগবে না। যারা লেখকে কল্পনার সাথে এক হয়ে গিয়ে গল্পের মধ্যে  ঢুকে গিয়ে চোখের সামনে ঘটনা গুলো ঘটে দেখতে পারেন,  তাদের কাছে ব্যাপারটা আরও ভালো লাগবে, আমি মূলত এই ভাবে পড়ি, তাতে আমার অবশ্যই একটু বেশিই সময় লাগে। আপনারা সকলেই পড়ে দেখতে পারেন। লেখকে এত সুন্দর একটি গল্পঃ লেখার জন্য আবার ধন্যবাদ জানাবো।

Post a Comment

0 Comments