লজ্জা - তসলিমা নাসরিন Lojja Taslima Nasreen

লজ্জা - তসলিমা নাসরিন


বইয়ের নামঃ লজ্জা

লেখিকাঃ তসলিমা নাসরিন

সাইজঃ ৬ এমবি

ফরমেটঃ পিডিএফ

সুধাময়, কিরণময়ী, সুরঞ্জন ও মায়া-এই চারজনের ছোট্ট পরিবার, যাদের পদবী দত্ত। উপন্যাস শুরু হয় মায়ার এই ঘর থেকে ওঘরে ভাই আর বাবার কাছে বাড়ি ছেড়ে পাশের কোনো মুসলিম ঘরে আশ্রয় নেওয়ার মিনতী করা নিয়ে।কিন্তু কেন এই মিনতী? লজ্জা রচনার সময়কাল ১৯৯৩, সেই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীর মধ্যে প্রধান ভারতের বাবরী মসজিদ ধ্বংস করা। সেই সময়ের মানুষজন খুব ভালো করেই জানেন যে ভারতের ঐ ঘটনা বাংলাদেশে কতটা উত্তাপ ছড়িয়েছিল।সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, হিন্দুদের বাড়িঘর লুটপাট, মেয়েদের তুলে নিয়ে যাওয়াসহ যেন নরক নেমে এসেছিল সংখ্যালঘু পল্লীগুলোতে। ঠিক এমন একটি পরিবার সুরঞ্জনের পরিবার।৫২এর ভাষা সৈনিক ও ৭১এর মুক্তিযুদ্ধা সুধাময় দেশের মাটি আঁকড়ে পড়ে থেকে যাননি পার্শ্ববর্তী দেশে।তার ফল যেন এখন ভোগ করছে সুধাময়ের পুরো পরিবার।একরোখা বাপ-ছেলের মনে প্রশ্ন জাগে এই দেশ কি তাদের না?আসলেই এই দেশ কি আমাদের নয়? যাই হোক, কাহিনীতে ফিরে আসি, সুধাময়ের এই একরোঁখামির ফল পোহাতে হয় তার যুবতী মেয়ে মায়াকে। এলাকার ধর্মীয় ধ্বজাধারীরা বাড়ি লুটপাটের সাথে তুলে নিয়ে যায় মায়াকে।এই ক্ষোভ কমাতে সুরঞ্জন রাস্তা থেকে তুলে আনে শামীমা নামের এক দেহপসারিনীকে,যার মাধ্যমে সে তার কামনা চরিতার্থ করে যেমন করে অন্য ধর্মের মানুষেরা তার বোনের উপর ক্ষোভ মিটিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত কি হয় সুরঞ্জনের পরিবারের?তারা কি নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে পাশের দেশে চলে যাবে?সুধাময় কি সর্বহারা হয়েও তার জেদ ধরে রাখবে? এই ব্যাপারগুলো দিয়েই শেষ হয় উপন্যাসটি। উপন্যাসের মূল প্রশ্ন হচ্ছে, মায়া যে তার সম্ভ্রম হারিয়েছে, এই লজ্জা আসলে কার?মায়ার?মায়ার পরিবারের? না বাংলাদেশের?




লজ্জা - তসলিমা নাসরিন






বডি অব এভিডেন্স – প্যাটৃসিয়া কর্নওয়েল / বশীর বারহান Body of Avedance Bashir Ahmad

Previous
Next Post »
iklan banner