গনিত ও বিজ্ঞানই মহাজাগতিক ভাষা - আসিফ Ganit o Biggyan-e MohajagotikBhasha Asif

গনিত ও বিজ্ঞানই মহাজাগতিক ভাষা - আসিফ Ganit o Biggyan-e Mohajagotik Bhasha Asif





বইয়ের নামঃ গনিত ও বিজ্ঞানই মহাজাগতিক ভাষা




লেখকঃ আসিফ




সাইজঃ ৭.৭৯ মেগাবাইট




পেজ সংখ্যাঃ ১৪৬




ফরম্যাটঃ পিডিএফ




টেক্স ফরম্যাটঃ এইচডি স্ক্যান




রেজুলেশনঃ ৬০০ DPI




বইয়ের ধরণঃ গনিত শিক্ষা


গনিত ও বিজ্ঞানই মহাজাগতিক ভাষা - আসিফ Ganit o Biggyan-e Mohajagotik Bhasha Asif 





or






দেশের বিজ্ঞানবক্তা যার কথা শুনবার জন্যে মানুস টিকিট কাটে, আসিফ তার নাম। যার লেখা বই “গনিত এবং বিজ্ঞানই মহাজাগতিক ভাষা” আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

একটি অংশের লেখা তুলে ধরলাম...

পিরামিড বুগের ইতিহাস

মিশরের পিরামিড নিয়ে মানূষের আগ্রহের শেষ নেই। যেমন নির্মাণগুণে তেমনি বিশালত্বে। হাজার হাজার বছর ধরে অক্লান্ত পর্যটকরা  পিরামিডের সৌন্দর্য উপভোগ করেছে। ভেবেছে কোনো প্রাযুক্তিক জ্ঞানের সাহায্য ছাড়া সেকালে এও কি সম্ভব ছিল? এই ভাবনায় বিস্ময়ের অস্ত ছিল না। এজন্য একে পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যর স্থান দেয়া হয়েছে। গত ৪৫০০ বছর ধরে পিরামিডকে মানুষের আগ্রহেব কেন্দ্র থেকে সরানো যায়নি। মিশরের ফারাও রাজবংশরাই যে পিরামিডের নির্মাতা এতে সন্দেহ নেই। তবে বিস্ময়ের ব্যাপার হলো- কীভাবে এর নির্মাণকাজটি  সমাধা হয়েছিল । কত লোকই বা লেগেছিল? তারা কত বছরের পরিশ্রমে এরকম একটি স্থাপনা তৈরি করেছিল?

মিশর হলো মরুভুমি-ঘেরা উত্তর আফ্রিকার পূর্বপ্রান্তে একটি সুজলা-সুফলা, শস্য- শ্যামলা দেশ। মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে নীলনদ। আফ্রিকার মধ্যদেশে বড় বড় হ্রদ থেকে নীলনদের উৎপত্তি। এই নদ পড়েছে ভূমধ্যসাগরে। শীত ও বসন্তকালে এই নদের জল শান্তভাবে  বয়ে চলে, কিন্তু বর্যায় তার জলধারা দুকুল ভাসিয়ে দেয়। দুপাশের জমিগুলো জল পেয়ে উর্বর হয়ে ওঠে এবং ভালো ফসল ফলে। তাই  নীলনদকে মিশরের প্রাণ বলে। পৃথিবীর ইতিহাসে এথানেই প্রথম কৃষিকাজ ও পশুপালন ব্যবস্থা বিকশিত হয়েছিল। প্রাচীনকাল থেকে গ্রায় ১০ হাজার বছর আগে মিশরে দুপাশে লোক এসে বাস করতে আরম্ভ করে।


শব্দচিন্তা চমৎকারা – দিলীপ দেবনাথ

আগের
Next Post »

iklan banner